খোরশেদ আলম, নোয়াখালী:
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় সর্ব মহলে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে (০৫ মার্চ) বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনাইমুড়ীতে নিজ বাড়ীতে উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং নদনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আওলাদ হোসেন হেলাল সংবাদ সম্মেলন করেন। ওইদিনই সকালে প্রতিকার চেয়ে সোনাইমুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়,গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামে “যুবদল নেতার দখল থেকে একটি বসতঘর উদ্ধার করেছে পুলিশ” লিখে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করা হয়।উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের অলি উল্লা জীবিত থাকা অবস্থায় তার ভাইয়ের ছেলে যুবদল নেতা হেলালকে তার সম্পত্তি ও বাড়িঘর দেখভালের দায়িত্ব দেন। তার মৃত্যুর পর দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ওই ঘরে বসবাস করে আসছে। তার ছেলে শামসুদ্দিন ফারুক পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সে হঠাৎ বাড়িতে থানা পুলিশ নিয়ে হাজির হয়। তার পিতার রেখে যাওয়া ঘরটি ছেড়ে দিতে চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু তার বোন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বকুল ও মমতাজসহ অন্যান্য অংশীদাররা এতে রাজি হয়নি। শামসুদ্দিন ফারুক তার ওয়ারিশি সম্পত্তি ঢাকার একটি বাড়ি ও উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের প্রায় সম্পত্তি অন্যত্র বিক্রি করে দেন। এখন আবার বসত ভিটা বিক্রি করতে পাঁয়তারা করছে। পরে সোনাইমুড়ী থানার এস আই কামরুল ইসলাম যুবদল নেতা হেলালকে ঘর থেকে বের করে দেন।ঘরের চাবি নিয়ে থানায় চলে যান। কিন্তু বিষয়টি শামসুদ্দিন ফারুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে।
যুবদল নেতা আওলাদ হোসেন হেলাল বলেন, আমরা অল্প কিছুদিন ঘরটিতে বসবাস করেছি। আমাদের বললেই আমরা ঘরটি ছেড়ে দিতাম।এই ঘরের মালিক সে নয়। সে তার জ্যাঠার সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ করেছেন।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, ঘরটিতে হেলালকে থাকতে দেয়া হয়েছে। সে ঘরটির দখল করেনি।